এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপের দিক থেকে, একাধিক সংস্থা স্বাগতিক দলকে অর্ধ-গোল/এক-গোলের ফেভারিট হিসেবে রেখেছে, এবং স্বাগতিক দলের পানির হার মূলত নিম্ন স্তরেই কেন্দ্রীভূত। কিছু সংস্থা এমনকি হাফ-গোল থেকে অর্ধ-গোল/এক-গোলে উন্নীত করেছে, তবু স্বাগতিক দলের পানির হার স্থিতিশীল রয়েছে। নরওয়েজিয়ান প্রথম বিভাগের লিগে অর্ধ-গোল/এক-গোলের এই হ্যান্ডিক্যাপ তুলনামূলকভাবে গভীর, আর স্বাগতিক দল টেবিলের তলানিতে থাকলেও সংস্থাগুলো এ ধরনের গভীর লাইন খুলে পানির হার স্থির রাখতে পেরেছে—এ থেকেই স্বাগতিক দলের জয়ের প্রতি আস্থা স্পষ্ট বোঝা যায়।
মৌলিক দিক থেকে দেখলে, স্বাগতিক দল যদিও লিগের শেষ স্থানে রয়েছে এবং ১৩ রাউন্ডে মাত্র ৩টি জয় পেয়েছে, তবু দলটি একেবারে নিরাশাজনক নয়। আসানা-র বিপক্ষে শেষ ৬ ম্যাচে তারা ৩ জয়, ১ ড্র ও ২ হারে কিছুটা মানসিকভাবে এগিয়ে আছে। গত মৌসুমে ঘরের মাঠে ২-১ গোলে প্রতিপক্ষকে হারিয়েছিল, আর চলতি মৌসুমের প্রথম পর্বে অ্যাওয়ে ম্যাচে ২-০ গোলে সহজ জয় পায়। অতিথি দলের অ্যাওয়ে পারফরম্যান্স ভীষণই বাজে; ৬টি অ্যাওয়ে ম্যাচে ১ ড্র ও ৫ হারে তারা এখনো জয়ের মুখ দেখেনি, মাত্র ২ গোল করেছে এবং ১২ গোল হজম করেছে। অ্যাওয়ে আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই তারা প্রায় কোনো হুমকি তৈরি করতে পারছে না। অবনমন বাঁচার লড়াইয়ে দুই দলই পয়েন্টের জন্য মরিয়া, তবে স্বাগতিক দল নিজেদের মাঠের সুবিধা এবং মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায়, জয়ের দিকটিই অনুসরণ করা যেতে পারে।