none
Insights
index
CaspianW

ইয়িল্ড: -৩.৭২% | হিট রেট: ৪৯.৪৩%

গড় অডস: ২.৫৮

ফর্ম (30)

[পিকস]ফিফা বিশ্বকাপ

2917d ago

ওভার/আন্ডার06/19 19:00ফিফা বিশ্বকাপ

জয়

যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র
FT--
অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়া

ওভার-
Line২/২.৫
আন্ডার-
প্রথম রাউন্ডের বড় জয় দেখে ভুলে যাবেন না, এই ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া লো-স্কোরিং হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি পাঁচটি বিশ্বকাপ কাভার করা এক অভিজ্ঞ স্কাউটের সোজাসাপটা কথা: প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র চার গোল দিলেই যে এই ম্যাচে বড় স্কোর হবে, এমন ভাবার দরকার নেই। যুক্তরাষ্ট্র বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে ২.৫-এর নিচে গোলই বেশি বাস্তবসম্মত সাধারণ দিক। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের ফাঁপা দিকটা ধরুন: প্রথম রাউন্ডের প্রতিপক্ষের মান কেমন ছিল? অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে তো একেবারেই তুলনা চলে না। সত্যিকারের পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে গভীর ব্লক বসিয়ে, রক্ষণে শৃঙ্খলা মেনে খেলা দলের বিপক্ষে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের উইং আক্রমণ আর ক্রসের কার্যকারিতা সঙ্গে সঙ্গে কমে যায়। আর এই যুক্তরাষ্ট্র দলে আরেকটা পুরনো সমস্যা আছে—একবার এগিয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে গতি কমিয়ে ছোট ছোট পাসে সময় নষ্ট করতে থাকে; দুটো গোল পেলে তৃতীয়টার জন্য আর ঝাঁপায় না। জয়ের পরও এশিয়ার ভাষায় বললে ‘লাভে না’—এমন দলই বলা যায়। এবার অস্ট্রেলিয়ার দিকে তাকান। ওরা তো মূলত রক্ষণকেই ভরসা করে বাঁচে। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দশ ম্যাচে মাত্র ছয় গোল হজম করেছে, পাঁচ ডিফেন্ডারের লাইন একেবারে আঁটসাঁট করে বেঁধে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো শারীরিকভাবে শক্তিশালী, দ্রুতগতির দলের বিপক্ষে ওরা নিশ্চিতভাবেই নিজেদের অর্ধে গুটিয়ে কাউন্টার অ্যাটাক করবে, খোলা আক্রমণে যাবে না। আক্রমণেও ভরসা সেই সেট-পিস আর লম্বা বল, উপরে উচ্চতায় লড়াই করানো; খেলা চলাকালীন গোল করার ক্ষমতা সীমিত। পুরো ম্যাচে দু-তিনটা মানসম্মত সুযোগ পেলেই সেটাকে ভালো বলা যাবে। দুই দলের মধ্যে একদিকে এগিয়ে গেলেই গতি কমায়, অন্যদিকে আদৌ আক্রমণে ঝাঁপায় না—অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠের লড়াই আর পাসিংয়ে কেটে যাবে। সত্যিকারের বিপজ্জনক শটের সংখ্যা হবে হাতে গোনা। স্বাভাবিকভাবে খেললে মোট গোল ২.৫-এর সীমা ছুঁতে খুবই কঠিন।
এই তথ্যটি বিশেষ বিশেষজ্ঞদের দ্বারা শুধুমাত্র ডাটা গবেষণার জন্য প্রদান করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে আপনার নিজস্ব বিবেচনার ভিত্তিতে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিন।