দলগত গড় বয়স, কৌশলগত প্রতিরোধ-সুবিধা এবং ফর্মের তথ্যকে একত্রে যাচাই করলে, এই ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার +0.5 গোল হ্যান্ডিক্যাপটি তুলনামূলকভাবে উচ্চ মূল্যমানের মনে হচ্ছে।
মেক্সিকোর বর্তমান ফিফা র্যাঙ্কিং ১৪তম, তবে তাদের দলে বয়সজনিত সমস্যা বেশ গুরুতর। শুরুর একাদশের গড় বয়স প্রায় ৩০ বছরের কাছাকাছি, আর মূল আক্রমণভাগের বেশিরভাগই ৩০ পেরোনো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। প্রথম রাউন্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় পেলেও আক্রমণ দক্ষতা ছিল বেশ কম; পুরো ম্যাচে মাত্র ২টি শট লক্ষ্যে রেখে ২ গোল করেছে, যেখানে ভাগ্যের ভূমিকা স্পষ্ট। মাঝমাঠের দৌড়ঝাঁপ ও কভারেজ ক্ষমতা স্পষ্টভাবে কমেছে, উচ্চ প্রেসিংয়ের মুখে বল বিলি-বণ্টনে ভুলের হার বেশি, আর স্থির আক্রমণে ভাঙার উপায়ও একঘেয়ে।
অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার ফিফা র্যাঙ্কিং ২৮তম। পুরো দলের দৌড়ানোর সক্ষমতা ও কৌশল বাস্তবায়ন ক্ষমতা চোখে পড়ার মতো। প্রথম ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে তারা দারুণ প্রত্যাবর্তন করে জয় পায়, আর সন হিউং-মিনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা কাউন্টার-আক্রমণভিত্তিক জুটির গতি-সুবিধা স্পষ্ট, যা মেক্সিকোর ধীরগতির প্রতিরক্ষার দুর্বলতাকে ঠিকমতো টার্গেট করতে পারে। দুই দলের শেষ ৩টি আনুষ্ঠানিক মুখোমুখিতে দক্ষিণ কোরিয়া ১ জয় ও ২ ড্র নিয়ে অপরাজিত রয়েছে, ফলে মানসিক দিক থেকেও তারা পিছিয়ে নেই।
বর্তমান +0.5 গোলের হ্যান্ডিক্যাপে মেক্সিকোর নামের কারণে অতিরিক্ত মূল্যায়ন স্পষ্ট, দক্ষিণ কোরিয়া ড্র করলেই পুরো সুবিধা পাবে, তাই এই হ্যান্ডিক্যাপে ভুলের সুযোগও যথেষ্ট। উপরোক্ত বিশ্লেষণ কেবল কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে সাধারণ একটি রেফারেন্স; ফুটবল ম্যাচে অনিশ্চিত উপাদান সবসময়ই থাকে।