চেলসি টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের অষ্টম রাউন্ডের ম্যাচে ঘরের মাঠে ২-০ গোলে হেরেছে চেলসি। ওই ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় কোল পালমারকে। ম্যাচ শেষে স্কাই স্পোর্টসের স্টুডিওতে খেলোয়াড়ের নিয়ন্ত্রণ হারানোর সমালোচনা করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি গ্যারি নেভিল। তিনি খোলাখুলিভাবে বলেন, মরগ্যান রজার্সকেও লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল।

নেভিল বলেন: “পালমার পুরোপুরি মাথা গরম করে ফেলেছিল। ফার্নান্দেসকে ধাক্কা দেওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিট হয়েছে, এর মধ্যেই সে এমন কাণ্ড করল—এটা চরম বোকামি।”
“সে বুটের স্টাড উঁচিয়ে তাকে আঘাত করেছে, আর সে ঠিকই জানত কী করছিল। এটা কোনো প্রকৃত বলের চ্যালেঞ্জ ছিল না; এটা ছিল বিদ্বেষপূর্ণ ট্যাকল, যা সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। পালমার অভিজ্ঞ খেলোয়াড়, তার জানা উচিত কীভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হয়।”
এ ছাড়া, ফার্নান্দেসকে প্রথমবার ধাক্কা দেওয়ার পরই সরাসরি লাল কার্ড না পাওয়ায় পালমার ভাগ্যবান ছিলেন বলে মনে করেন নেভিল: “সে এমনটা করতে গেল কেন? কেন সে এতটা বেপরোয়া হলো, সত্যিই বুঝতে পারছি না।”
“ফার্নান্দেসের হাতে বল লেগেছিল, যার জন্য পরে রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেখান। কিন্তু পালমারের প্রতিক্রিয়া ছিল হাস্যকর, আর সে নিজেই বিপদ ডেকে আনছিল।”
ম্যাচের শেষ দিকে উত্তেজিত রজার্স কোনর গ্যালাঘারকে ফেলে দেওয়ায় হলুদ কার্ড দেখেন। নেভিলের জোর দাবি, ওই ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল—তাহলে চেলসিকে নয়জন নিয়ে খেলতে হতো।
নেভিল বলেন: "আমার মনে হয় এটা লাল কার্ড, সত্যি বলতে। সে চ্যালেঞ্জ থেকে একটুও সরে আসেনি, সোজা তাকে লাথি মেরেছে। এটা একেবারেই অপ্রয়োজনীয় ছিল, আর রজার্সের ওই চ্যালেঞ্জ ছিল উদ্ভট। চেলসির পুরো দলই মাথা গরম করে ফেলেছিল, আর আলোনসোর উচিত তাদের শান্ত করা।"




